হাড়িভাঙ্গা আম মাঝারি থেকে বড় আকারের হয়। এর গোলাকার আকৃতি এবং সবুজ রঙের ত্বক থাকে। পাকলে ত্বক হলুদ রঙ ধারণ করে। হাড়িভাঙ্গা আমের গর্বের বিষয় হলো এর স্বাদ। এটি খুবই মিষ্টি এবং রসালো। আমের রস আঁশবিহীন এবং মনোমুগ্ধকর সুগন্ধযুক্ত।
হাড়িভাঙ্গা আম জুন মাসের শেষের দিকে বাজারে আসে এবং আগস্ট মাসের সারা মাস ধরে পাওয়া যায়। এটি একটি দামি আম এবং সারাদেশে ব্যাপকভাবে চাহিদা রয়েছে।
সর্বোপরি গ্রাহকের সন্তুষ্টি আমাদের উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য।
উন্নত প্যাকেজিংয়ের ব্যবস্থা। প্লাস্টিক ক্যারেটের ক্ষেত্রে নতুন ও পরিচ্ছন্ন ক্যারেটে আম সরবরাহ।
আমরা সরাসরি আমাদের নিজস্ব ও চুক্তিবদ্ধ বাগান থেকে আম সংগ্রহ করি।
আমরা প্রতিটি আমের সর্বোচ্চ গুণগত মান নিশ্চিত করা হয়।
হাড়িভাঙ্গা আম কেবল তার স্বাদের জন্যই বিখ্যাত নয়, এর ঔষধি গুণাবলীর জন্যও বিখ্যাত। এটি ভিটামিন এ এবং সি-এর একটি ভালো উৎস। হাড়িভাঙ্গা আম ডায়রিয়া এবং আমাশয়ের চিকিৎসায়ও কার্যকর।
আমের উপরিভাগ বেশি মোটা ও চওড়া, নিচের অংশ চিকন । দেখতে সুঠাম ও মাংসালো, শ্বাস গোলাকার ও একটু লম্বা। শ্বাস অনেক ছোট, আঁশ নেই। আকারের তুলনায় ওজনে বেশি, গড়ে ৩টি আমে ১ কেজি হয়। কোন ক্ষেত্রে একটি আম ৫০০/৭০০ গ্রাম হয়ে থাকে। চামড়া কুচকে যায় তবুও পঁচে না । ছোট থেকে পাকা পর্যন্ত একেক স্তরে একেক স্বাদ পাওয়া যায়।
রাতকানা ও অন্ধত্ব প্রতিরোধে মহৌষধ। কচি পাতার রস দাঁতের ব্যাথা উপশমকারী। আমের শুকনো মুকুল পাতলা পায়খানা, পুরনো অমাশয় এবং প্রস্রাবের জ্বালা-যন্ত্রণা উপশম করে।
ফল হিসেবে খাওয়ার পাশাপাশি আম থেকে চাটনি, আচার, আমসত্ত্ব, মোরব্বা, জ্যাম, জেলি ও জুস তৈরি হয়। প্রচুর ভিটামিন ‘এ’ বা ক্যারোটিন, ভিটামিন ‘সি’, খনিজ পদার্থ ও ক্যালোরি রয়েছে ।