রিহলাতা একটি বাংলাদেশি উদ্যোগ। আমাদের উদ্যোগটি ২০২০ সাল থেকে নিজস্ব বাগানে উৎপাদিত হাড়িভাংগা আম দিয়ে যাত্রা শুরু করে। পরবর্তীতে ক্রেতা চাহিদা বিবেচনা করে বিভিন্ন অর্গানিক ফুড নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে রিহলাতা। আমরা প্রতিনিয়ত আমাদের উদ্যোগে মানসম্পন্ন পণ্য যোগ করছি এবং তার উৎকর্ষ সাধনের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি৷
আমাদের পরিষেবা নিছক একটি ধারণা নয়। আমাদের পরিষেবা বা পণ্য গ্রাহক পর্যায়ে পৌছানোর জন্য কঠোর পরিশ্রমে বিশ্বাস করি। আমাদের প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেক সদস্য সর্বোচ্চ সততার সাথে গ্রাহক সেবা প্রদানের জন্য প্রতিশ্রতিবদ্ধ।
আমাদের অঙ্গীকার হল বিশুদ্ধ ও নিরাপদ পণ্য সরবরাহ করা। আমরা সবমসময় চাই গ্রাহক সন্তুষ্টি কারণ গ্রাহক সন্তুষ্টি গ্রাহকদের সাথে আমাদের শক্তিশালী সম্পর্ক তৈরী করে।আমাদের গ্রাহকদের প্রত্যাশা পূরণে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করি। আমরা একটি টিম আকারে কাজ করি। কৃষক পর্যায় হতে সংগৃহীত বিভিন্ন পণ্য নিজেরা সর্বোচ্চ মান যাছাই বাছাই পূর্বক গ্রাহকদের কাছে পৌছে দেই। আমরা বিশ্বাস করি আমাদের পরিষেবা গ্রাহক সন্তুষ্টিতে সামান্য অবদান রাখতে পারলে তা আমাদের সর্বোচ্চ অর্জন এবং এর মাধ্যমে রিহলাতা একটি বিশ্বাসযোগ্য প্রতিষ্ঠানে দিন দিন পরিণত হবে এটাই আমাদের বিশ্বাস।
রিহলাতা কোম্পানির অর্গানিক ফুডগুলোর গুণাবলী
রিহলাতা কোম্পানির অর্গানিক ফুডগুলোর সুবিধা
রিহলাতা কোম্পানির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
রিহলাতা কোম্পানি তার অর্গানিক ফুডের উৎপাদন এবং বিপণন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করছে। কোম্পানিটি নতুন নতুন পণ্য উৎপাদনের পরিকল্পনা করছে। এছাড়াও, কোম্পানিটি বিদেশে রপ্তানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করছে।
করোনার প্রকোপে যখন থমকে গিয়েছিল বিশ্ব, তখন ঘরবন্দী সময়কে কাজে লাগিয়ে অনেকেই হয়ে ওঠেছেন সফল উদ্যোক্তা। তেমনি একজন রংপুর সিদ্দিক মেমোরিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থী মো. রাকিবুল ইসলাম রিফাত। বড় ভাইয়ের অনুপ্রেরণায় ১৭ বছর বয়সেই পড়াশোনার পাশাপাশি অনলাইনে আম ও মধু বিক্রি করে পরিবারকে সাহায্য করছে সে। আমের মৌসুমে এ পর্যন্ত প্রায় ২২০-২৪০ মণ হাড়িভাঙা আম বিক্রি করেছে রিফাত।
১৭ বছর বয়সী রিফাতের উদ্যোক্তা হওয়ার শুরুর গল্প কি—এমন প্রশ্নে সে জানায়, ২০২০ সালের শুরুতে বড় ভাই মো. রাহিমুল কবির রাসেল-এর পরামর্শে রিফাত উইম্যান অ্যান্ড ই-কমার্স ট্রাস্ট (উই) গ্রুপে যোগদান করে। সেখানে আরও অনেক উদ্যোক্তাদের সঙ্গে পরিচয় হয়। পাশাপাশি বিশাল সদস্যসংখ্যার এই গ্রুপেই অনেক ক্রেতার দেখা মেলে।
রিফাত জানায়, ‘গাছ থেকে আম সংগ্রহ, প্যাকেজিং, ডেলিভারি— সব কাজে ভাইয়া পরামর্শ দিয়েছেন। সামনে দাঁড়িয়ে থেকে সাহায্য করেছেন, দেখাশুনা করেছেন। আমরা সবকিছু গুছিয়ে ক্রেতাদের কাছে চাহিদামাফিক আম পৌঁছে দিয়েছি। এভাবে গত দুই মৌসুমে প্রচুর আম বিক্রি হয়েছে। ফেসবুকের মাধ্যমে আম ও খাঁটি মধু বিক্রি করছি।’
এই শিক্ষার্থী জানায়, ‘রিহলাতা’ ও ‘মধুওয়ালা’, এই দুটি নামকে সামনে রেখে কাজ করছে সে। এদের ব্র্যান্ডে পরিণত করার স্বপ্ন তার। যার স্লোগান- বিশুদ্ধতা, বিশ্বাস এবং আস্থায় সম্পর্ক থাকুক অটুট। আম ও মধু নিয়ে সামনে আরও বেশিসংখ্যক ক্রেতার কাছে পৌঁছে যেতে চায় সে।
রিফাতের বিশ্বাস, পরিশ্রম করার মানসিকতা থাকলেই সফলতা পাওয়া যায়। তাই আর যাই হোক না কেন, সে যেকোনো কাজে লেগে থাকায় বিশ্বাসী।



আমাদের সকল পণ্য উৎকৃষ্ট মানের যা পুষ্টিবিদ দ্বারা প্রত্যয়িত করা